004636
Total Users : 4636
Charbak magazine logo
sorolrekha logo

লেখক তালিকা

জন্ম. ২৩ নভেম্বর ১৯৭৫, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার পাত্রখোলা চা বাগানে। সম্পাদনা করছেন ‘চারবাক’ ও ‘সরলরেখা’। যুক্ত আছেন সাপ্তাহিক সাহিত্য আড্ডা ‘শুক্কুরবারের আড্ডা’র সাথে। লিটল ম্যাগাজিন সংগ্রহ ও প্রদর্শন কেন্দ্রের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রকাশিত গ্রন্থ: মায়াহরিণ, কাব্যগ্রন্থ ২০০৮, চারবাক, বুদ্ধিজীবীর দায়ভার, সম্পাদনা ২০০৯, সংবেদ, পক্ষ—প্রতিপক্ষ অথবা শত্রু—মিত্র, প্রবন্ধ ২০১০, চারবাক, নির্বাচিত চারবাক, সম্পাদনা ২০১১, চারবাক, নাচঘর, কবিতা, ২০১২, চারবাক, ভাষা সাম্প্রদায়িকতা অথবা সাম্রাজ্যবাদি খপ্পর, প্রবন্ধ, ২০১৩, চারবাক এবং মুখোশ, কবিতা, ২০১৬, চারবাক, করোনাকালে, কবিতা, ২০২২, চারবাক।
View Posts →
কবি, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক
View Posts →
প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ
View Posts →
বাংলাদেশের উত্তরউপনিবেশি ভাবচর্চার পথিকৃৎ ফয়েজ আলম একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, অনুবাদক। উপনিবেশি শাসন-শোষণ আর তার পরিণাম, রাষ্ট্র ও সমধর্মী মেল কর্তৃক ব্যক্তির উপর শোষণ-নিপীড়ন ও ক্ষমতার নানামুখি প্রকাশ আর এসবের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে টিকে থাকার কৌশল নিয়ে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে লিখছেন তিনি। বিশ্বায়নের নামে পশ্চিমের নয়াউপনিবেশি আর্থ-সাংস্কৃতিক আগ্রাসন আর রাষ্ট্র ও স্বার্থকেন্দ্রিক গোষ্ঠীর শোষণচক্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তার লেখা আমাদের উদ্দীপ্ত আর সাহসী করে তোলে। রুহানিয়াত সমৃদ্ধ দার্শনিক ভাবচর্চা আর সাহিত্যিক-রাজনৈতিক তত্ত্বচর্চাকে একসাথে কবিতার দেহে ধারণ করতে সক্ষম ফয়েজ আলমের সহজিয়া কবিতা। তার কবিতায় তিনি মানুষের প্রাত্যহিক মুখের ভাষার প্রতি উন্মুক্ত। যে ভাষাকে আমরা ব্রাত্য বানিয়ে রেখেছি একেই তিনি জায়গা করে দিয়েছেন কবিতায়। তাই প্রচলিত কাব্যভাষা থেকে তার কবিতার ভাষা ভিন্ন। বিভিন্ন প্রবন্ধে তিনি এ ভাষাকেই বলেছেন মান কথ্যবাংলা, আঞ্চলিকতার বাইরে সর্বাঞ্চলীয় বাঙালির প্রতিদিনের মুখের ভাষা। কবিতাগুলো কখনো কখনো বিভিন্ন ধ্বনি ও শব্দে বেশি বা কম জোর দিয়ে কথা বলার অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করতে পারে, যেভাবে আমরা হয়তো আড্ডার সময় কথা বলি। এবং তা একই সাথে বক্তব্যের অতিরিক্ত ভাষারও অভিজ্ঞতা। খোদ ‘আওয়াজের সাথে ইশক’ যেন। প্রাণের আকুতি ও চঞ্চলতার সাথে তাই শূন্যতাও হাজির আছে। সেই সাথে জারি আছে ‘শব্দের দিলের ভিতরে আরো শব্দের আশা’। ফয়েজ আলমের জন্ম ১৯৬৮ সালে, নেত্রকোনা জেলার আটপাড়ার যোগীরনগুয়া গ্রামে। বাবা মরহুম শেখ আবদুস সামাদ, মা সামসুন্নাহার খানম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে বিএ (সম্মান) ও এমএ পাশ করার পর প্রাচীন বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক গবেষণার জন্য এমফিল. ডিগ্রী লাভ করেন। গুরুত্বপূর্ণ কাজ: ব্যক্তির মৃত্যু ও খাপ-খাওয়া মানুষ (কবিতা, ১৯৯৯); প্রাচীন বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতি ( গবেষণা, ২০০৪); এডওয়ার্ড সাইদের অরিয়েন্টালিজম (অনুবাদ, ২০০৫); উত্তর-উপনিবেশি মন (প্রবন্ধ, ২০০৬); কাভারিং ইসলাম (অনুবাদ, ২০০৬), ভাষা, ক্ষমতা ও আমাদের লড়াই প্রসঙ্গে (প্রবন্ধ, ২০০৮); বুদ্ধিজীবী, তার দায় ও বাঙালির বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্ব (প্রবন্ধ, ২০১২), জলছাপে লেখা (কবিতা, ২০২১), রাইতের আগে একটা গান (কবিতা, ২০২২); ভাষার উপনিবেশ: বাংলা ভাষার রূপান্তরের ইতিহাস (প্রবন্ধ, ২০২২)।
View Posts →
কবি ও গল্পকার। যুক্ত আছেন চারবাক সম্পাদনা পরিবারের সাথে।
View Posts →
কবি। জন্ম মৌলভীবাজার জেলায়।
View Posts →
প্রাবন্ধিক। অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক। বর্তমানে প্রান্তীয় কৃষক-মধুচাষি, বেতবাঁশ শিল্পের সাথে জড়িত লোকজন নিয়ে কাজ করছেন।
View Posts →

সম্পূর্ণ লেখক তালিকা

অনুবাদ কবিতা

নীলি চেরকোভস্কি

এগারো সেপ্টেম্বর

এগারো সেপ্টেম্বরে তুমি বিতাড়িত, বিলুপ্ত, সমাহিত
পতিত গাছের নিচে, দিগন্ত উত্তোলিত গ্রামের কাছাকাছি
পাহাড়ি আশ্রমের ঘণ্টাধ্বনিতে
যেখানে তোমার বারো বছর বয়সী কন্যার স্বপ্ন
উচ্ছেদ হচ্ছে
বুকের ভেতর থেকে কবিতা
সারি সারি বৃক্ষেরা সরে যাচ্ছে দৃষ্টির বাইরে

এগারো সেপ্টেম্বর হৃৎপিন্ড তলিয়ে যেতে থাকে
ঘণ্টাধ্বনিতে, বয়ষ্ক পৃষ্ঠাগুলোর অনভিজ্ঞ পাঠে
তাদের সম্মানে, যারা এসেছে আমাদের আগে
যারা ধ্যানমগ্ন ঠান্ডা কুঠুরিতে শান্তিতে ঘুমায়

তুমি দরোজা আগলে দাঁড়াবে
প্রবল তুষার ঝড়ের মধ্যে, সুরক্ষিত হাত বাঁধা
এবং যাদুমন্ত্রের
বিশাল কক্ষে যেখানে পুরোহিত
একজন জ্বলজ্বলে উন্মাদ
কে তোমার হৃদয়ে খুঁজে পাবে
ব্যথা এবং স্থৈর্যে , নেমে আসবে নীরবতায়
তারপর একটা কালো কাচের পাত্রে
ওলঙ্গ চা ভাগাভাগি করে নেবে

তুমি অশোধিত গ্রহের কথা বলছো এবং ঠেলে দিচ্ছো পাহাড়ের পাদদেশে,
গভীর তুষার
দূরবর্তী স্বপ্নের আবরণ দিতে পারে, কিন্তু এখানে
জীবনের বোঝাপড়া ফ্যাকাশে হয়ে যায়,
উঁচু নিচু বিন্দুতে মিলায় না

যখন কন্ট্রাকটর আসে
তুমি তার হাতে টিকেট তুলে দাও
আর সে একটি চাকার কাঁটায় পাঞ্চ বসিয়ে দেয়
ইস্পাতে ইস্পাত ঘর্ষণ হয়
জন্ম হয় একটা পুলিশ রাষ্ট্রের

কোনটা কুমারী বনভূমি ছিলো
আমরা সারিবদ্ধ হয়েছিলাম
একটা ধ্যানকক্ষে, শিকারের পাখি
সাহসী ঠান্ডা স্রোত, নাম দেওয়া হয়
গভীরভাবে অনুষ্ঠিত ভয়, মর্যাদার জাহাজ
হাতের কাছে নিকটবর্তী, পুরুষদের জড়ো করা অন্ধকারে
কাছ থেকে দূরে
নয়-এগারো একটা মহান উড়োজাহাজ
আমাদের সাধারণ জীবনের দিকে ঠেলে দেয়

তরজমা: আরশাদ সিদ্দিকী

(নীলি চেরকোভস্কি। জন্ম লস এঞ্জেলসে ১৯৪৫ সালে। পড়াশোনা লস এঞ্জেলস স্টেট কলেজে। প্রথম কবিতার বইটি বেরোয় ১৯৯৬ সালে। প্রকাশিত গ্রন্থ- জানোয়ার (১৯৯৬), সময়ের বিপরীত পাঠ (২০০৫), ক্যানিয়নের উজান থেকে (২০০৯) এবং কাক ও আমি (২০১৫)।
নীলি, চার্লস বুকোওস্কির সাথে যৌথভাবে লস এঞ্জেলসের কবিদের কবিতার সংকলন এবং বিল মোহ্র এর সাথে যৌথভাবে ক্রস-স্ট্রোকেস: লস এঞ্জেলস এবং সানফ্রান্সিসকোর কবিদের কবিতার সংকলন সম্পাদনা করেন।
অস্ট্রিয়া, মেক্সিকো এবং ইতালি থেকে নীলির কবিতার দ্বিভাষিক সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও নীলি চার্লস বুকোওস্কি এবং লরেন্স ফার্লেনহেট্টির জীবনী লিখেছেন। ১৯৭৪ সাল থেকে নীলি সানফ্রান্সিসকোতে বসবাস করছেন। তিনি জ্যাক মুলার কবিতা পুরস্কার পেয়েছেন।)
শেয়ার করুন: