004588
Total Users : 4588
Charbak magazine logo
sorolrekha logo

লেখক তালিকা

জন্ম. ২৩ নভেম্বর ১৯৭৫, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার পাত্রখোলা চা বাগানে। সম্পাদনা করছেন ‘চারবাক’ ও ‘সরলরেখা’। যুক্ত আছেন সাপ্তাহিক সাহিত্য আড্ডা ‘শুক্কুরবারের আড্ডা’র সাথে। লিটল ম্যাগাজিন সংগ্রহ ও প্রদর্শন কেন্দ্রের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রকাশিত গ্রন্থ: মায়াহরিণ, কাব্যগ্রন্থ ২০০৮, চারবাক, বুদ্ধিজীবীর দায়ভার, সম্পাদনা ২০০৯, সংবেদ, পক্ষ—প্রতিপক্ষ অথবা শত্রু—মিত্র, প্রবন্ধ ২০১০, চারবাক, নির্বাচিত চারবাক, সম্পাদনা ২০১১, চারবাক, নাচঘর, কবিতা, ২০১২, চারবাক, ভাষা সাম্প্রদায়িকতা অথবা সাম্রাজ্যবাদি খপ্পর, প্রবন্ধ, ২০১৩, চারবাক এবং মুখোশ, কবিতা, ২০১৬, চারবাক, করোনাকালে, কবিতা, ২০২২, চারবাক।
View Posts →
কবি, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক
View Posts →
প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ
View Posts →
বাংলাদেশের উত্তরউপনিবেশি ভাবচর্চার পথিকৃৎ ফয়েজ আলম একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, অনুবাদক। উপনিবেশি শাসন-শোষণ আর তার পরিণাম, রাষ্ট্র ও সমধর্মী মেল কর্তৃক ব্যক্তির উপর শোষণ-নিপীড়ন ও ক্ষমতার নানামুখি প্রকাশ আর এসবের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে টিকে থাকার কৌশল নিয়ে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে লিখছেন তিনি। বিশ্বায়নের নামে পশ্চিমের নয়াউপনিবেশি আর্থ-সাংস্কৃতিক আগ্রাসন আর রাষ্ট্র ও স্বার্থকেন্দ্রিক গোষ্ঠীর শোষণচক্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তার লেখা আমাদের উদ্দীপ্ত আর সাহসী করে তোলে। রুহানিয়াত সমৃদ্ধ দার্শনিক ভাবচর্চা আর সাহিত্যিক-রাজনৈতিক তত্ত্বচর্চাকে একসাথে কবিতার দেহে ধারণ করতে সক্ষম ফয়েজ আলমের সহজিয়া কবিতা। তার কবিতায় তিনি মানুষের প্রাত্যহিক মুখের ভাষার প্রতি উন্মুক্ত। যে ভাষাকে আমরা ব্রাত্য বানিয়ে রেখেছি একেই তিনি জায়গা করে দিয়েছেন কবিতায়। তাই প্রচলিত কাব্যভাষা থেকে তার কবিতার ভাষা ভিন্ন। বিভিন্ন প্রবন্ধে তিনি এ ভাষাকেই বলেছেন মান কথ্যবাংলা, আঞ্চলিকতার বাইরে সর্বাঞ্চলীয় বাঙালির প্রতিদিনের মুখের ভাষা। কবিতাগুলো কখনো কখনো বিভিন্ন ধ্বনি ও শব্দে বেশি বা কম জোর দিয়ে কথা বলার অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করতে পারে, যেভাবে আমরা হয়তো আড্ডার সময় কথা বলি। এবং তা একই সাথে বক্তব্যের অতিরিক্ত ভাষারও অভিজ্ঞতা। খোদ ‘আওয়াজের সাথে ইশক’ যেন। প্রাণের আকুতি ও চঞ্চলতার সাথে তাই শূন্যতাও হাজির আছে। সেই সাথে জারি আছে ‘শব্দের দিলের ভিতরে আরো শব্দের আশা’। ফয়েজ আলমের জন্ম ১৯৬৮ সালে, নেত্রকোনা জেলার আটপাড়ার যোগীরনগুয়া গ্রামে। বাবা মরহুম শেখ আবদুস সামাদ, মা সামসুন্নাহার খানম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে বিএ (সম্মান) ও এমএ পাশ করার পর প্রাচীন বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক গবেষণার জন্য এমফিল. ডিগ্রী লাভ করেন। গুরুত্বপূর্ণ কাজ: ব্যক্তির মৃত্যু ও খাপ-খাওয়া মানুষ (কবিতা, ১৯৯৯); প্রাচীন বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতি ( গবেষণা, ২০০৪); এডওয়ার্ড সাইদের অরিয়েন্টালিজম (অনুবাদ, ২০০৫); উত্তর-উপনিবেশি মন (প্রবন্ধ, ২০০৬); কাভারিং ইসলাম (অনুবাদ, ২০০৬), ভাষা, ক্ষমতা ও আমাদের লড়াই প্রসঙ্গে (প্রবন্ধ, ২০০৮); বুদ্ধিজীবী, তার দায় ও বাঙালির বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্ব (প্রবন্ধ, ২০১২), জলছাপে লেখা (কবিতা, ২০২১), রাইতের আগে একটা গান (কবিতা, ২০২২); ভাষার উপনিবেশ: বাংলা ভাষার রূপান্তরের ইতিহাস (প্রবন্ধ, ২০২২)।
View Posts →
কবি ও গল্পকার। যুক্ত আছেন চারবাক সম্পাদনা পরিবারের সাথে।
View Posts →
কবি। জন্ম মৌলভীবাজার জেলায়।
View Posts →
প্রাবন্ধিক। অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক। বর্তমানে প্রান্তীয় কৃষক-মধুচাষি, বেতবাঁশ শিল্পের সাথে জড়িত লোকজন নিয়ে কাজ করছেন।
View Posts →
জন্ম— জুন, ০৬, ১৯৭৭। জন্মস্থান— উত্তর গোবীন্দর খীল, হাঁদু চৌধুরী বাড়ী, পটিয়া, চট্টগ্রাম। (শৈশব কৈশোর ও তারুণ্যের সময়যাপন) বেড়ে ওঠা (পূর্ব্ব বালিয়াদী, মীরশ্বরাই, চট্টগ্রাম) নানার বাড়ীতে। প্রকাশিত কবিতার বই— ফুলেরা পোষাক পরে না (সাল: ২০১৮, প্রকাশক : মনফকিরা, কলিকেতা)। প্রকাশিতব্য বই— অর্দ্ধনারীশ্বরবাদ : প্রকৃতিপুরুষতত্ত্ব (নন্দনতত্ত্ব), বটতলার বয়ান (ভাষাতাত্ত্বিক গদ্য) ও উদ্ভিদপ্রতিভা (কবিতা)। সম্পাদক— চারবাক।
View Posts →

সম্পূর্ণ লেখক তালিকা

আরণ্যক টিটো’র কবিতা

ঝুলন

…………………
যতই ঝুলন খেলো তুমি
আমি
ঝুলছি না…
ঝুলবারান্দায়… যতই ফুটুক নন্দন কানন…
আকাশলীনায়
ঝুলছে… ঝুলুক… ঝুুলন পূূর্ণিমা…
ঝো-লা-ঝু-লি
ঝুলন ঝুলন খেলায়… মেলায়…
ঝুলন্ত উদ্যানে… পাবে না আমাকে…
কৃষ্ণরাধা
খেলছে… খেলুক… ঝুলন যাত্রায়…
ঝো-লা-ঝু-লি…
ঝুলন ঝুলন খেলা…
শেষে
কালিঝুলিমাখা
সংসারে
ঝুলাবে আমাকে…
তা… হবে না…
য-ত-ই
ঝুলন খেলো
ঝুলন্ত পার্লামেন্টে… পাবে না আমাকে…

 

বলীদান

…………………………..
রূপকথার গল্পে
বলী ছাড়া
রাজার খনন করা দীঘিতে জল ওঠে না।…
বলেছেন, ঠাকুরমার ঝুলি!
দীঘি, জল আর বলী
এইসব
রূপকের ইশারা!…
বলীপ্রথা
আজও দৃশ্যমান, অন্যরূপে, কি সমাজ, কি রাষ্ট্রে…
এমনই অৎ¯্র বলিদানে
আজো
কানে বাজে, দীঘির দীঘল কথামালা…
জীবনের
বেদীতে দাঁড়িয়ে… গাইছি আজও, কত প্রাণ হল ব-লী-দা-ন…

 

সম্পর্কপুরাণ

………………………….
জানে
আধার-আধেয়— নদী
ডাকছে তোমাকে… তবুও মরছো লাজে…
নির্জনে
নাইতে এসে
ভাবছ এ বেলা,
জল ছোবে কি ছোবে না…
জলজ ত্বরণে
জানে দেহ— মাতাল ত্বরণী,
আধার
তখনই (আ)নন্দন… কলা… যখনই
জেগে ওঠে জলের উচ্ছ¡াস… মুখরিত মন…
অথবা আধেয়…
চলো
জেনে নিই
ত্বর-ত্বর বয়ে চলা
নদীর শরীরে
জমা আছে কতটুকু জলের কাহিনী…
এই
জেনে নেওয়ার
নৈকট্যে আসার নাম
(মুখের ভাষায় যাকে বলে) সম্পর্কপুরাণ!

নিসর্গনগর

…….
বন
ঘরে আসে না… ঘরে এলে
বন
বন থাকে না… তবে
ঘর
বনে যেতে পারে… নির্মল নিঃশ্বাসে…
ভব-ঘুরেদের কাজ
বনে বনে
শ্রী খোঁজা…
যদি
পৃথিবীটা বন হত
যার মাঝে ছোট ছোট ঘর
করত মিতালি…
সবুজ পাতার সংসারে… ঘরে…
তবে
পেতাম আমরা
নিসর্গনগর…
গহন কুসুম কুঞ্জে…
বৃষ্টিমুখরিত
পাতার নূপুরে বেজে ওঠা মনে
ভেজার আনন্দ…
ভুলে যেতাম বেদনা
ক্লান্তি
যাপনের…
এবং
বলতে পারতাম
চিয়ার্স! পৃথিবী, তুমি খুবই সুন্দর…

 

আপনাকে প্রয়োজন নেই

…………………………………
জ্বী…
আপনি আধুনিক? বাহ, বেশ ভালো!
সুটেট, বুটেট, টাই, ব্যাকব্রাশ চুল, ক্লিনসেভ, ক্লোজআপ হাসি, ঝকঝকে দাঁত।
(দাঁতের কোথাও লেগে নেই ভোগের স্বাক্ষর, খাদ্যকণা)
হ্যাঁ,
আপনি আধুনিক, বাহ, পোশাকিসভ্যতা!
নামটা,
কি যেন বললেন? ও, মানবিক রায়! সরি, মানবিক রয়! অধ্যাপক।…
তো,
জনাব, বিশেষ আড়ালে পোশাক খুলেন কেন?
ও কি নিরাভরনার পুরোনো সে টান
জ্বী…
আপনি সুধিজন? কী যে বাজে বকছি। সরি।
ঝুলছে মানবিক রশি, গিট লাগানো হাআআআ। ঝুলে পড়বেন,
না ঝুলাবো?
ছাগলের ছানা, তিড়িং বিড়িং লাফ দেয়, দেখে, পায়ের আঘাতে পৃথিবী কাঁপছে কি না!
আপনি ছাগলের ছানা,
(যদিওবা
ছাগল নিরিহ প্রাণি, ঘাস খায়, লতাপাতা খায়, দুধ দেয়, মাংশও দেয়)
চলে যান, ছাগলপাড়ায়। অধুনা সাহিত্যে বিমানবিকরন চলছে!
সরি,
আপনি তো আবার মানুষ। ছাগল না।
কিন্তু,
আন্তর্জাতিক ছাগল।…

 

কলা

যদিও
এর নাম কাঠালি বা কাটঠইল্যা কলা
কিংবা
বাংলা কলা…
যে নাম’ই হউক
তবে
ইহা শিল্পকলা নয়…
যেহেতু
শিল্পকলা নয়
সুতরাং
একাডেমস্ ও একাডেমী ইহার খবর রাখে না
এবং
ইহার কোন নন্দনতত্ত¡ও নেই…
তাই
শ্রীমান কৃষ্ণ
বলেন
আমি কলা খাই না
কলা খায় রাধা…
দূর থেকে
এসব বয়ান শুনে মিটিমিটি হাসে
কলাবতী ফুল
দেখে
কলাভবনের
পিছনে
পুকুরের জলে
চৌষট্টি কলায় ফোটছে আনন্দে
পদ্মবিশ্ববিদ্যালয়…

শেয়ার করুন: