008229
Total Users : 8229
Charbak magazine logo
sorolrekha logo

লেখক তালিকা

জন্ম. ২৩ নভেম্বর ১৯৭৫, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার পাত্রখোলা চা বাগানে। সম্পাদনা করছেন ‘চারবাক’ ও ‘সরলরেখা’। যুক্ত আছেন সাপ্তাহিক সাহিত্য আড্ডা ‘শুক্কুরবারের আড্ডা’র সাথে। লিটল ম্যাগাজিন সংগ্রহ ও প্রদর্শন কেন্দ্রের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রকাশিত গ্রন্থ: মায়াহরিণ, কাব্যগ্রন্থ ২০০৮, চারবাক, বুদ্ধিজীবীর দায়ভার, সম্পাদনা ২০০৯, সংবেদ, পক্ষ—প্রতিপক্ষ অথবা শত্রু—মিত্র, প্রবন্ধ ২০১০, চারবাক, নির্বাচিত চারবাক, সম্পাদনা ২০১১, চারবাক, নাচঘর, কবিতা, ২০১২, চারবাক, ভাষা সাম্প্রদায়িকতা অথবা সাম্রাজ্যবাদি খপ্পর, প্রবন্ধ, ২০১৩, চারবাক এবং মুখোশ, কবিতা, ২০১৬, চারবাক, করোনাকালে, কবিতা, ২০২২, চারবাক।
View Posts →
কবি, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক
View Posts →
প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ
View Posts →
বাংলাদেশের উত্তরউপনিবেশি ভাবচর্চার পথিকৃৎ ফয়েজ আলম একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, অনুবাদক। উপনিবেশি শাসন-শোষণ আর তার পরিণাম, রাষ্ট্র ও সমধর্মী মেল কর্তৃক ব্যক্তির উপর শোষণ-নিপীড়ন ও ক্ষমতার নানামুখি প্রকাশ আর এসবের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে টিকে থাকার কৌশল নিয়ে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে লিখছেন তিনি। বিশ্বায়নের নামে পশ্চিমের নয়াউপনিবেশি আর্থ-সাংস্কৃতিক আগ্রাসন আর রাষ্ট্র ও স্বার্থকেন্দ্রিক গোষ্ঠীর শোষণচক্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তার লেখা আমাদের উদ্দীপ্ত আর সাহসী করে তোলে। রুহানিয়াত সমৃদ্ধ দার্শনিক ভাবচর্চা আর সাহিত্যিক-রাজনৈতিক তত্ত্বচর্চাকে একসাথে কবিতার দেহে ধারণ করতে সক্ষম ফয়েজ আলমের সহজিয়া কবিতা। তার কবিতায় তিনি মানুষের প্রাত্যহিক মুখের ভাষার প্রতি উন্মুক্ত। যে ভাষাকে আমরা ব্রাত্য বানিয়ে রেখেছি একেই তিনি জায়গা করে দিয়েছেন কবিতায়। তাই প্রচলিত কাব্যভাষা থেকে তার কবিতার ভাষা ভিন্ন। বিভিন্ন প্রবন্ধে তিনি এ ভাষাকেই বলেছেন মান কথ্যবাংলা, আঞ্চলিকতার বাইরে সর্বাঞ্চলীয় বাঙালির প্রতিদিনের মুখের ভাষা। কবিতাগুলো কখনো কখনো বিভিন্ন ধ্বনি ও শব্দে বেশি বা কম জোর দিয়ে কথা বলার অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করতে পারে, যেভাবে আমরা হয়তো আড্ডার সময় কথা বলি। এবং তা একই সাথে বক্তব্যের অতিরিক্ত ভাষারও অভিজ্ঞতা। খোদ ‘আওয়াজের সাথে ইশক’ যেন। প্রাণের আকুতি ও চঞ্চলতার সাথে তাই শূন্যতাও হাজির আছে। সেই সাথে জারি আছে ‘শব্দের দিলের ভিতরে আরো শব্দের আশা’। ফয়েজ আলমের জন্ম ১৯৬৮ সালে, নেত্রকোনা জেলার আটপাড়ার যোগীরনগুয়া গ্রামে। বাবা মরহুম শেখ আবদুস সামাদ, মা সামসুন্নাহার খানম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে বিএ (সম্মান) ও এমএ পাশ করার পর প্রাচীন বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক গবেষণার জন্য এমফিল. ডিগ্রী লাভ করেন। গুরুত্বপূর্ণ কাজ: ব্যক্তির মৃত্যু ও খাপ-খাওয়া মানুষ (কবিতা, ১৯৯৯); প্রাচীন বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতি ( গবেষণা, ২০০৪); এডওয়ার্ড সাইদের অরিয়েন্টালিজম (অনুবাদ, ২০০৫); উত্তর-উপনিবেশি মন (প্রবন্ধ, ২০০৬); কাভারিং ইসলাম (অনুবাদ, ২০০৬), ভাষা, ক্ষমতা ও আমাদের লড়াই প্রসঙ্গে (প্রবন্ধ, ২০০৮); বুদ্ধিজীবী, তার দায় ও বাঙালির বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্ব (প্রবন্ধ, ২০১২), জলছাপে লেখা (কবিতা, ২০২১), রাইতের আগে একটা গান (কবিতা, ২০২২); ভাষার উপনিবেশ: বাংলা ভাষার রূপান্তরের ইতিহাস (প্রবন্ধ, ২০২২)।
View Posts →
কবি ও গল্পকার। যুক্ত আছেন চারবাক সম্পাদনা পরিবারের সাথে।
View Posts →
কবি। জন্ম মৌলভীবাজার জেলায়।
View Posts →

সম্পূর্ণ লেখক তালিকা

প্রকাশিত হলো ‘সরলরেখা’

‘প্রকাশিত হয়েছে সরলরেখা বর্ষ ১৪ সংখ্যা ১১ অক্টোবর ২০২৫ সমকালীন কবিতা সংখ্যা। সমকালীন পনেরো কবির কবিতা নিয়ে সাজানো হয়েছে এই সংখ্যা। মূল্য ২০০ টাকা।

বড্ড অস্থির সময় উদ্‌যাপন করছি আমরা। মবসন্ত্রাসের পাশাপাশি ধর্মীয় উন্মাদনাকে কাজে লাগিয়ে একশ্রেণির মানুষ অরাজক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বিকারহীনভাবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সম্মিলিত হামলা হচ্ছে, হামলা হচ্ছে মাজারসহ অন্যান্য স্থাপনায়। হত্যা করা হচ্ছে নৃশংসভাবে।  উগ্রবাদকে আমরা কখনো সমর্থন করি না, এদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য তা অনুমোদন করে না। এখানে সব ধর্মের মতের মানুষের নির্বিচার অংশগ্রহণ ছিলো- আছে, যা থামিয়ে দেয়া যাবে না। সুফি-বৈষ্ণবদের হাত ধরে এখানে সাম্য-মৈত্রী-প্রেমের বিজয়গাঁথা ধ্বনিত হয়েছে।

দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করতে চাই, অনির্বাচিত ফেরেস্তার চাইতে নির্বাচিত স্বৈরাচারও শ্রেয়। কারণ নির্বাচিত স্বৈরাচার আমাদের মনোনীত। তাকে প্রশ্ন করা যায়, বলা যায় তুমি যা করছো তা ঠিক করছো না। চরম অস্থিরতার মধ্যে একটি জাতি এভাবে দিনের পর দিন চলতে পারে না। কিছুতেই না। বিকারহীন আমরা। যেন কিছুই দেখছি না। কিছুই করার নেই। একশ্রেণির মানুষ সাময়িক স্বার্থ সিদ্ধির জন্য নানা অপকর্ম করছে। গণ-অভ্যুত্থানের স্বপ্নকে বিপথগামী করছে। এই উন্মাদদের অপকর্মের জন্য আমরা গণ-অভ্যুত্থান করিনি। শুধু সরকার পরিবর্তন উদ্দেশ্য ছিলো না। আমরা চেয়েছি সত্যিকার পরিবর্তন। এদের এখনই থামাতে হবে, এদেরকে থামান। ‘সমকালীন কবিতা সংখ্যা’য় পনেরো কবির কবিতা ছাপা হলো। এই সময়ের লিখিয়ে কবিদের মধ্যে পনেরো কবি’র কবিতা নির্বাচন সহজ ছিলো না। সময়ের প্রভাব বিস্তারকারী কবিদের মধ্যে নিঃসন্দেহে তারা স্বতন্ত্র। কাব্যিক গভীরতা, দূরদর্শিতা, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দার্শনিকতা, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট তাদের কবিতার মেজাজ-ভাবনাকে সমৃদ্ধ করেছে, করেছে অনন্য। বিষয় নির্বাচনেও তাদের মৌলিকতা লক্ষ্যণীয়।

শেয়ার করুন: